রাজবাড়ীতে নিজের বুদ্ধিমত্তা ও সাহসে অপহরণকারীদের কাছ থেকে কৌশলে পালিয়ে এসেছে ইমন শেখ (১২) নামের একটি শিশু। সে শহরের ধুঞ্চি গ্রামের আটাশ কলোনি এলাকার আকবর শেখের ছেলে এবং অংকুর স্কুল অ্যান্ড কলেজের সপ্তম শ্রেণীর ছাত্র।
ইমন জানায়, বাবার সঙ্গে রাগ করে রোববার বেলা একটার দিকে সে প্রায় দেড় কিলোমিটার দূরে রাজবাড়ী রেলস্টেশনের পাশে নানাবাড়ির উদ্দেশে রওনা দেয়। পথে শহরের পাটবাজার মোড়ে চার তরুণ তাকে ধরে জোর করে ট্রেনে তুলে দৌলতদিয়ায় নিয়ে যায়। অপহরণকারীরা তাকে দৌলতদিয়া লঞ্চঘাট থেকে লঞ্চে করে পাটুরিয়া ঘাটে নিয়ে যাচ্ছিল। লঞ্চটি পাটুরিয়ায় পৌঁছানোর কিছুক্ষণ আগে প্রস্রাব করার কথা বলে ইমন লঞ্চের কেবিনে যায়। এ সময় ইমন অপহরণের ঘটনাটি কেবিনে থাকা এক কলেজছাত্রকে জানায়। ওই ছাত্র ইমনকে লুকিয়ে রাখেন। লঞ্চ থেকে সবাই নেমে যাওয়ার পর তিনি তাকে লঞ্চের টিকিট কাউন্টারে নিয়ে যান। সেখান থেকে তিনি ইমনের পরিবারের কাছে মুঠোফোনে অপরহরণের কথা জানান। পরে সন্ধ্যার দিকে পরিবারের লোকজন তাকে পাটুরিয়া ঘাট থেকে বাড়ি নিয়ে আসে।
ইমনের মা বেবী জানান, মুঠোফোনে জানতে পেরে ইমনকে গিয়ে উদ্ধার করা হয়।
ইমন জানায়, বাবার সঙ্গে রাগ করে রোববার বেলা একটার দিকে সে প্রায় দেড় কিলোমিটার দূরে রাজবাড়ী রেলস্টেশনের পাশে নানাবাড়ির উদ্দেশে রওনা দেয়। পথে শহরের পাটবাজার মোড়ে চার তরুণ তাকে ধরে জোর করে ট্রেনে তুলে দৌলতদিয়ায় নিয়ে যায়। অপহরণকারীরা তাকে দৌলতদিয়া লঞ্চঘাট থেকে লঞ্চে করে পাটুরিয়া ঘাটে নিয়ে যাচ্ছিল। লঞ্চটি পাটুরিয়ায় পৌঁছানোর কিছুক্ষণ আগে প্রস্রাব করার কথা বলে ইমন লঞ্চের কেবিনে যায়। এ সময় ইমন অপহরণের ঘটনাটি কেবিনে থাকা এক কলেজছাত্রকে জানায়। ওই ছাত্র ইমনকে লুকিয়ে রাখেন। লঞ্চ থেকে সবাই নেমে যাওয়ার পর তিনি তাকে লঞ্চের টিকিট কাউন্টারে নিয়ে যান। সেখান থেকে তিনি ইমনের পরিবারের কাছে মুঠোফোনে অপরহরণের কথা জানান। পরে সন্ধ্যার দিকে পরিবারের লোকজন তাকে পাটুরিয়া ঘাট থেকে বাড়ি নিয়ে আসে।
ইমনের মা বেবী জানান, মুঠোফোনে জানতে পেরে ইমনকে গিয়ে উদ্ধার করা হয়।
0 comments:
Post a Comment