
পীর সাহেব চরমোনাই আরো বলেন, কায়েমী স্বার্থবাদী শক্তিগুলো ক্ষমতার স্বার্থে অতীতে জনগণকে বার বার ব্যবহার করেছে। একটি সুন্দর, সমৃদ্ধ ও আধুনিক দেশ গড়ার লক্ষ্যে এবং গণ-মানুষের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে আরো একটি আন্দোলনে নেতাকর্মীদেরকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। একটি বৈপ্লবিক পরিবর্তন ছাড়া এদেশের মানুষের ভাগ্যের কাঙ্খিত পরিবর্তন সম্ভব নয়। পরিবর্তনের এই বিপ্লবের সূচনা করতে না পারলে জাতিকে আরো চরম খেসারত দিতে হবে।
দেশপ্রেমিক ও দায়িত্ববান নাগরিক হিসেবে ইসলামকে রাষ্ট্রীয়ভাবে প্রতিষ্ঠিত করতে ঈমানদার জনতাকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে। যার মাধ্যমে সূচনা হবে এক নতুন সম্ভাবনার। কাজেই সকল হীনমন্যতা, সংকীর্ণতা আর ভয়-ভীতি ঝেড়ে ফেলে সত্যের পক্ষে, ন্যায়ের পক্ষে সাহসিকতার সাথে সম্মুখপানে এগিয়ে যেতে হবে। বিশেষ করে নতুন প্রজন্মকে সৎ পথে ইসলামের পক্ষে কাজের সূচনা করতে হবে।
আলেম-ওলামা ও ইমাম-খতীবদের উপর রাজনৈতিক ও পুলিশি হয়রানী চলছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, অচীরেই তা বন্ধ করতে হবে। ইসলামকে জঙ্গী আদর্শ হিসেবে আখ্যায়িত করার ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে জিহাদী বই উদ্ধারের নামে বিভিন্ন লোকদের হয়রানী এবং গ্রেফতার বন্ধ করতে হবে।
আজ বিকেলে সদরঘাটস্থ একটি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এক সভা ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর আমীর মুফতী সৈয়দ মোঃ রেজাউল করীম পীর সাহেব চরমোনাই’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। এতে আরো উপস্থিত ছিলেন, মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ, আমীরের রাজনৈতিক উপদেষ্টা অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা নেয়ামতুল্লাহ আল ফরিদী, অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান, কেন্দ্রীয় নেতা অধ্যাপক মাওলানা এটিএম হেমায়েত উদ্দিন প্রমুখ।
0 comments:
Post a Comment