
মা কোনোভাবেই আত্মহত্যা করতে পারেন না।এমনকি শশী থারুরও তাঁর মাকে হত্যা করেননি।ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শশী থারুরের স্ত্রী সুনন্দা পুশকারের ছেলে শিব মেনন এমনটাই দাবি করেছেন।
আজ বুধবার টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক খবরে বলা হয়, গতকাল রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সুনন্দা পুশকারের ছেলে শিব মেনন তাঁর মায়ের মৃত্যু প্রসঙ্গে এ দাবি করেন।তাঁর মায়ের মৃত্যু নিয়ে গণমাধ্যমে যেসব সংবাদ প্রকাশিত হচ্ছে, তা সত্য নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বিবৃতিতে শিব মেনন বলেন, ‘যাঁরা আমার মাকে চেনেন ও জানেন, তাঁরাই শুধু জানেন যে মা মানসিকভাবে কতটা শক্তিশালী।তিনি আত্মহত্যা করতে পারেন না।আমি এটাও বিশ্বাস করি না, শশী মাকে মারধর করে হত্যা করতে পারেন।তাঁরা পরস্পরকে খুবই ভালোবাসতেন।’ তবে মেনন বলেছেন, তাঁর মা কোনো কারণে চাপে থাকতে পারেন।
আজ বুধবার টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক খবরে বলা হয়, গতকাল রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সুনন্দা পুশকারের ছেলে শিব মেনন তাঁর মায়ের মৃত্যু প্রসঙ্গে এ দাবি করেন।তাঁর মায়ের মৃত্যু নিয়ে গণমাধ্যমে যেসব সংবাদ প্রকাশিত হচ্ছে, তা সত্য নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বিবৃতিতে শিব মেনন বলেন, ‘যাঁরা আমার মাকে চেনেন ও জানেন, তাঁরাই শুধু জানেন যে মা মানসিকভাবে কতটা শক্তিশালী।তিনি আত্মহত্যা করতে পারেন না।আমি এটাও বিশ্বাস করি না, শশী মাকে মারধর করে হত্যা করতে পারেন।তাঁরা পরস্পরকে খুবই ভালোবাসতেন।’ তবে মেনন বলেছেন, তাঁর মা কোনো কারণে চাপে থাকতে পারেন।
শিব মেনন আরও বলেন, তাঁর মায়ের মৃত্যু নিয়ে অসত্য সংবাদ প্রকাশিত হচ্ছে।ঘুমের মাঝেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে।তাঁর মৃত্যু শান্তিপূর্ণ।তিনি বলেন, ‘অনেক হয়েছে।এবার দয়া করে মায়ের আত্মাকে একটু শান্তিতে থাকতে দিন।’
গত শুক্রবার রাজধানীর চানক্যপুরীর লীলা হোটেল থেকে ৫২ বছর বয়সী সুনন্দার লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।গত শনিবার ময়নাতদন্ত শেষে তাঁর শেষকৃত্য অনুষ্ঠিত হয়।
সুনন্দার অস্বাভাবিক মৃত্যুর কারণ হিসেবে মাত্রাতিরিক্ত ওষুধ সেবনের ফলে বিষক্রিয়াকেই দায়ী করা হয়েছে।সুনন্দার ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে এমনটাই জানিয়েছেন চিকিত্সকেরা।এর ভিত্তিতেই এখন সুনন্দার মৃত্যু তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন সাবডিভিশনাল ম্যাজিস্ট্রেট।
পুলিশ সূত্র জানায়, হোটেলকক্ষে সুনন্দার মৃতদেহের পাশ থেকে দুই পাতা অবসাদ কাটানোর ওষুধ ‘অ্যালপ্রাজোলাম’ উদ্ধার করা হয়েছে।
শুক্রবার দিল্লিতে কংগ্রেসের সভায় ব্যস্ত সময় কাটিয়ে সন্ধ্যায় কয়েকজন সহকর্মীকে নিয়ে লীলা প্যালেস হোটেলে স্ত্রীর কাছে যান শশী থারুর।কিন্তু হোটেলে কক্ষটি ভেতর থেকে তালাবদ্ধ ছিল।এ সময় সহযোগিতা চাইলে হোটেলের কর্মীরা তালা খোলেন এবং সেখানে সুনন্দার মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখেন।ওই দিনই তাঁদের হোটেল ছাড়ার কথা ছিল।নিজের বাড়িতে রঙের কাজ শুরু হওয়ায় গত বৃহস্পতিবার তাঁরা দুজনে লীলা হোটেলে ওঠেন।তবে তাঁরা ওই হোটেলের ৩৪২ ও ৩৪৫ নম্বর কক্ষে আলাদা আলাদা থাকতেন।
0 comments:
Post a Comment