
মিরপুর টেস্টে ২৩২ রানেই শেষ বাংলাদেশের ইনিংস। টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে দিনটাও পার করে আসতে পারেননি বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা। কিন্তু সাকিব আল হাসান মনে করেন, ব্যাটিংয়ের জন্য এটা ছিল আদর্শ এক উইকেট। তাঁর মতে, শ্রীলঙ্কার ভালো বোলিংয়ের সঙ্গে ব্যাটসম্যানদের ভুল এই উইকেটে সুযোগ থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশকে একটা বড় স্কোরের দিকে হাঁটতে দেয়নি।
মিরপুর টেস্টের প্রথম দিন শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসে সাকিবের কণ্ঠে কিছুটা হতাশারই সুর, ‘আমার কাছে মনে হয়েছে উইকেটটা ব্যাটিংয়ের জন্য দারুণ ছিল। এই উইকেটে আমাদের সামর্থ্য অনুযায়ী সাধারণ খেলাটা খেললেও রান পৌনে চার শ হয়ে যায়।’
ব্যাটিং ব্যর্থতায় শ্রীলঙ্কার দিকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেওয়ার মতো স্কোর করতে ব্যর্থ দল। এমন অবস্থায় নিজেদের অনেকটাই পেছনের সারিতে দেখছেন বিশ্ব-সেরা এই অলরাউন্ডার। তাঁর মতে, ‘আমি মনে করি এই উইকেটে উইকেট পাওয়াটা খুব কঠিন হবে। আমরা এখন অনেকটাই পিছিয়ে পড়েছি। উইকেটটা এমন ছিল, যেখানে রান করা খুব সহজ, উইকেট পাওয়া তেমনই কঠিন।’
সারা দিনে দলের ব্যাটিং নিয়ে সাকিবের মূল্যায়ন, ‘আমাদের ব্যাটিং ভালো করা উচিত ছিল। বিশেষ করে আমরা বর্তমানে যে মানের ক্রিকেট খেলছি, সে হিসেবে ব্যাটিং সে ধরনের হয়নি।’
মিরপুর টেস্টের প্রথম দিন শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসে সাকিবের কণ্ঠে কিছুটা হতাশারই সুর, ‘আমার কাছে মনে হয়েছে উইকেটটা ব্যাটিংয়ের জন্য দারুণ ছিল। এই উইকেটে আমাদের সামর্থ্য অনুযায়ী সাধারণ খেলাটা খেললেও রান পৌনে চার শ হয়ে যায়।’
ব্যাটিং ব্যর্থতায় শ্রীলঙ্কার দিকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেওয়ার মতো স্কোর করতে ব্যর্থ দল। এমন অবস্থায় নিজেদের অনেকটাই পেছনের সারিতে দেখছেন বিশ্ব-সেরা এই অলরাউন্ডার। তাঁর মতে, ‘আমি মনে করি এই উইকেটে উইকেট পাওয়াটা খুব কঠিন হবে। আমরা এখন অনেকটাই পিছিয়ে পড়েছি। উইকেটটা এমন ছিল, যেখানে রান করা খুব সহজ, উইকেট পাওয়া তেমনই কঠিন।’
সারা দিনে দলের ব্যাটিং নিয়ে সাকিবের মূল্যায়ন, ‘আমাদের ব্যাটিং ভালো করা উচিত ছিল। বিশেষ করে আমরা বর্তমানে যে মানের ক্রিকেট খেলছি, সে হিসেবে ব্যাটিং সে ধরনের হয়নি।’
ইনিংসের শুরুটা চিন্তা করে আফসোসও হচ্ছে সাকিবের, ‘শুরু আমাদের ভালোই হয়েছিল। প্রথম ওভারে কোনো উইকেট পড়েনি। স্কোরটাও চল্লিশের কাছাকাছি হয়ে গিয়েছিল। এমন না যে বল খুব মুভ করছিল, কিংবা ব্যাটসম্যানরা বল মিস করছিল।’
এ মুহূর্তে ম্যাচে ফিরতে বোলারদের আরও অনেক বেশি দায়িত্ব নিতে হবে বলে মনে করেন সাকিব।
আম্পায়ারিং নিয়ে একটু অসন্তোষই ফুটে উঠেছে সাকিবের কণ্ঠে। তবে আচরণবিধির শেকল আছে বলে জোরাল গলায় কিছু বললেও পারলেন না, ‘নাসির এসে বলেছেন বল তাঁর হাতে লেগেছে। তার পরও বলব, এগুলো আম্পায়ারেরই সিদ্ধান্ত। অনেক সময় তাঁদের খুব দ্রুত সিদ্ধান্ত দিতে হয়। ক্যামেরায় বা টিভি রিপ্লেতে অনেক কিছুই ধরা পড়ে। কিন্তু বাস্তবে ওসব সিদ্ধান্ত খুব কঠিন। আমরা আসলে এ ব্যাপারে মন্তব্য করার জায়গাতেও নেই।’
একাদশ নিয়ে কোনো কথা বলতে চাইলেন না সাকিব। পুরো ব্যাপারটিই তিনি এড়িয়ে গেছেন দলের ব্যবস্থাপনা ও অধিনায়কের সিদ্ধান্ত হিসেবে। তার পরও মন্তব্য করেছেন দলের সিদ্ধান্তের পক্ষেই, ‘দল নিয়ে আমার পক্ষে মন্তব্য করা একটু মুশকিল। এটা ব্যবস্থাপনা ও অধিনায়কের সিদ্ধান্ত। একাদশটা চিন্তা করেই হয়তো করা হয়েছে, কোনো সময় এটা সফল হয়, কখনো হয় না।’
0 comments:
Post a Comment