বিএনপির
চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও বার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট
খন্দকার মাহবুব হোসেনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগে সাধারণ ডায়রি
(জিডি) করেছে পুলিশ। আজ বুধবার বিকেলে রাজধানীর শাহবাগ থানায় এ জিডি করা
হয়েছে। রাতে ঢাকা মহানগর পুলিশের উপকমিশনার (ডিসি-মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক
রিলেশন্স) মাসুদুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। জিডিতে বলা হয়েছে, খন্দকার
মাহবুব হোসেন গত ২ জানুয়ারি একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিয়ে সরকারের প্রতি ও
জনমনে অবজ্ঞা, বিদ্বেষ ছড়িয়ে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোসহ
গৃহযুদ্ধের ষড়যন্ত্র করে পেনাল কোডের ১২১-ক, ১২৪-ক মোতাবেক অপরাধ করেছেন।
জিডির অভিযোগে বলা হয়, গত ২ জানুয়ারি সকাল ১০টা হতে সোয়া ১টা পর্যন্ত শাহবাগ থানার বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত এক সভায় খন্দকার মাহবুব হোসেন বক্তব্য প্রদান করেন। তিনি বক্তব্যে সাংবিধানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত সরকারের প্রতি ঘৃণা ও অবজ্ঞা সৃষ্টি করার জন্য সরকারকে মিথ্যাবাদী ও আইনের শাসন ধ্বংসকারী হিসেবে অবহিত করেন। সে দিন তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেছিলেন, আইনজীবীদের কালো পোশাক কঠিন পোশক, এ কালো পোশাকের হাত থেকে এরশাদসহ অনেকে রক্ষা পায়নি।এ ছাড়া ডিএমপি কমিশনারকে কটূক্তি করাসহ পরিণতি ভয়াবহ হবে বলে হুমকি দেন। ৫ জানুয়ারি দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন তিনি মানবেন না এবং নির্বাচন হতে দেবেন না বলে হুমকি দিয়েছিলেন। প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্ করে বলেছিলেন, ভোটাররা না গেলেও ডিজিটাল কায়দায় আপনি ভোট দেখাবেন শতকরা ৮০ ভাগ, তা হবে না, তা হবে না।'
মাহবুব আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে উদ্দেশ্ করে বলেছিলেন, 'আপনারা পাকিস্তানি সৈন্য নন। পাকিস্তানি সৈন্যদের আত্মীয়স্বজন পাকিস্তানে রয়েছে। কিন্তু আপনাদের আত্মীয়স্বজন বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় অবস্থান করছেন। সরকারের প্রশাসন বিভাগকে বিভিন্নভাবে হুমকি দিয়ে তাদের উপর অর্পিত দায়িত্ব পালনে বিরত রাখাসহ দেশে গৃহযুদ্ধ লাগার ইঙ্গিতমূলক বক্তব্য প্রদান করেন। প্রকৃতপক্ষে- সরকারকে ভয়াভিভূত করার জন্য দেওয়া তাঁর এই ষড়যন্ত্রমূলক বক্তব্য একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেল সরাসরি সম্প্রচারসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচারিত হয়। এতে জনমনে সরকারের প্রতি অবজ্ঞা ও বিদ্বেষ সৃষ্টি হয়। তেমনিভাবে দেশের বিভিন্ন জায়গায় সহিংসতার মাধ্যমে হত্যা, জ্বালাও-পোড়াও, ভাঙচুর, সরকারি-বেসরকারি সম্পদের ক্ষতিসাধন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর আক্রমণ ইত্যাদি মারাত্মক অপরাধ সংঘটিত হয়। খন্দকার মাহবুব এ ধরনের বক্তব্য দিয়ে সরকারের প্রতি ও জনমনে অবজ্ঞা, বিদ্বেষ ছাড়ানো এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি, গৃহযুদ্ধের ষড়যন্ত্র করে পেনাল কোডের ১২১-ক, ১২৪-ক ধারায় অপরাধ করেছেন।
প্রসঙ্গত- গতকাল মঙ্গলবার প্রেসক্লাব এলাকা থেকে বিএপি নেতা খন্দকার মাহবুব হোসেনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। আজ তাঁকে রমনার ডিসির অফিসে বোমা হামলার মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের নির্দেশে রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে।
-
জিডির অভিযোগে বলা হয়, গত ২ জানুয়ারি সকাল ১০টা হতে সোয়া ১টা পর্যন্ত শাহবাগ থানার বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত এক সভায় খন্দকার মাহবুব হোসেন বক্তব্য প্রদান করেন। তিনি বক্তব্যে সাংবিধানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত সরকারের প্রতি ঘৃণা ও অবজ্ঞা সৃষ্টি করার জন্য সরকারকে মিথ্যাবাদী ও আইনের শাসন ধ্বংসকারী হিসেবে অবহিত করেন। সে দিন তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেছিলেন, আইনজীবীদের কালো পোশাক কঠিন পোশক, এ কালো পোশাকের হাত থেকে এরশাদসহ অনেকে রক্ষা পায়নি।এ ছাড়া ডিএমপি কমিশনারকে কটূক্তি করাসহ পরিণতি ভয়াবহ হবে বলে হুমকি দেন। ৫ জানুয়ারি দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন তিনি মানবেন না এবং নির্বাচন হতে দেবেন না বলে হুমকি দিয়েছিলেন। প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্ করে বলেছিলেন, ভোটাররা না গেলেও ডিজিটাল কায়দায় আপনি ভোট দেখাবেন শতকরা ৮০ ভাগ, তা হবে না, তা হবে না।'
মাহবুব আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে উদ্দেশ্ করে বলেছিলেন, 'আপনারা পাকিস্তানি সৈন্য নন। পাকিস্তানি সৈন্যদের আত্মীয়স্বজন পাকিস্তানে রয়েছে। কিন্তু আপনাদের আত্মীয়স্বজন বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় অবস্থান করছেন। সরকারের প্রশাসন বিভাগকে বিভিন্নভাবে হুমকি দিয়ে তাদের উপর অর্পিত দায়িত্ব পালনে বিরত রাখাসহ দেশে গৃহযুদ্ধ লাগার ইঙ্গিতমূলক বক্তব্য প্রদান করেন। প্রকৃতপক্ষে- সরকারকে ভয়াভিভূত করার জন্য দেওয়া তাঁর এই ষড়যন্ত্রমূলক বক্তব্য একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেল সরাসরি সম্প্রচারসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচারিত হয়। এতে জনমনে সরকারের প্রতি অবজ্ঞা ও বিদ্বেষ সৃষ্টি হয়। তেমনিভাবে দেশের বিভিন্ন জায়গায় সহিংসতার মাধ্যমে হত্যা, জ্বালাও-পোড়াও, ভাঙচুর, সরকারি-বেসরকারি সম্পদের ক্ষতিসাধন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর আক্রমণ ইত্যাদি মারাত্মক অপরাধ সংঘটিত হয়। খন্দকার মাহবুব এ ধরনের বক্তব্য দিয়ে সরকারের প্রতি ও জনমনে অবজ্ঞা, বিদ্বেষ ছাড়ানো এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি, গৃহযুদ্ধের ষড়যন্ত্র করে পেনাল কোডের ১২১-ক, ১২৪-ক ধারায় অপরাধ করেছেন।
প্রসঙ্গত- গতকাল মঙ্গলবার প্রেসক্লাব এলাকা থেকে বিএপি নেতা খন্দকার মাহবুব হোসেনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। আজ তাঁকে রমনার ডিসির অফিসে বোমা হামলার মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের নির্দেশে রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে।
-
0 comments:
Post a Comment