ভেজাল ওষুধ প্রস্তুত ও বাজারজাত করা বন্ধে তদারকি সেল কেন গঠন করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। দেশের বিভিন্ন কোম্পানির ওষুধের মূল্যতালিকা সরকার কর্তৃক প্র্রস্তুতের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না রুলে তাও জানতে চাওয়া হয়েছে। বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার ও বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকারের হাইকোর্ট বেঞ্চ এক রিটের শুনানি নিয়ে গতকাল মঙ্গলবার এ রুল দেন। রুলে আরও জানতে চাওয়া হয় সরকার কর্তৃক হাসপাতালে বিনা মূল্যে সরবরাহ করা ওষুধের তালিকা দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না। ওষুধের দোকানিরা চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোন কোন ওষুধ বিক্রি করতে পারবেন, তার তালিকা কেন প্রস্তুত করা হবে না, এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়েছে।
আইনসচিব, স্বাস্থ্যসচিব, ওষুধ প্রশাসনের মহাপরিচালক ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে দুই সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
ভেজাল ওষুধ রোধে তদারকি সেল গঠন ও উৎপাদিত ওষুধের মূল্য সরকার কর্তৃক নির্ধারণের বিষয়ে নির্দেশনা চেয়ে গত ডিসেম্বর মাসে আইনজীবী জে আর খান রবিন রিট আবেদনটি করেন। রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী এম বদরুদ্দোজা। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আল আমিন সরকার।
আইনজীবী জে আর খান জানান, রিট আবেদনের যুক্তিতে বলা হয়, বিভিন্ন কোম্পানির একই ধরনের ওষুধের মূল্যে ভিন্নতা দেখা যায়। সরকারি হাসপাতালে কী কী ওষুধ সরকার বিনা মূল্যে দিচ্ছে, সে সম্পর্কে জনগণ অবগত নয়। দেশের বাইরে থেকে আসা ওষুধের গুণগত মান সম্পর্কে না জেনে চড়া দামে জনগণকে তা কিনতে হয়। বাজারে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধও বিক্রি হয়। তদারকির জন্য সেল থাকলে ভেজাল ও নিম্নমানের ওষুধের উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ রোধ করা যেত।
আইনসচিব, স্বাস্থ্যসচিব, ওষুধ প্রশাসনের মহাপরিচালক ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে দুই সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
ভেজাল ওষুধ রোধে তদারকি সেল গঠন ও উৎপাদিত ওষুধের মূল্য সরকার কর্তৃক নির্ধারণের বিষয়ে নির্দেশনা চেয়ে গত ডিসেম্বর মাসে আইনজীবী জে আর খান রবিন রিট আবেদনটি করেন। রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী এম বদরুদ্দোজা। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আল আমিন সরকার।
আইনজীবী জে আর খান জানান, রিট আবেদনের যুক্তিতে বলা হয়, বিভিন্ন কোম্পানির একই ধরনের ওষুধের মূল্যে ভিন্নতা দেখা যায়। সরকারি হাসপাতালে কী কী ওষুধ সরকার বিনা মূল্যে দিচ্ছে, সে সম্পর্কে জনগণ অবগত নয়। দেশের বাইরে থেকে আসা ওষুধের গুণগত মান সম্পর্কে না জেনে চড়া দামে জনগণকে তা কিনতে হয়। বাজারে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধও বিক্রি হয়। তদারকির জন্য সেল থাকলে ভেজাল ও নিম্নমানের ওষুধের উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ রোধ করা যেত।
0 comments:
Post a Comment