
বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা শেষ করে টেলিভিশনে কাজ শুরু করেন রোয়ান অ্যাটকিনসন। ১৯৯০ সালে প্রথম টেলিভিশনের পর্দায় দেখা যায় তাঁকে। ১৯৯৫ সাল পর্যন্ত মিস্টার বিনের বিভিন্ন সিকুয়্যাল প্রচারিত হয় টেলিভিশনে। ১৯৯৭ সালে চরিত্রটি নিয়ে তৈরি হয় 'মিস্টার বিন' নামক চলচ্চিত্র। ২০০৭ সালে মুক্তি পায় 'মিস্টার বিন'স হলিডে; যদিও ২০১২ সালের নভেম্বর মাসে রোয়ান ঘোষণা দেন মিস্টার বিনকে নিয়ে আর কিছু তৈরি করবেন না। এখানেই সমাপ্তি ঘটে মিস্টার বিন অধ্যায়ের।
রোয়ান অ্যাটকিনসনের মতে মিস্টার বিন হলেন 'একজন প্রাপ্তবয়স্কের শরীরে বাস করা একটি শিশু'। যে কিনা দৈনন্দিন জীবনের নানা সমস্যার সমাধান করতে গিয়ে হাস্যকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করে।
মিস্টার বিনকে নিয়ে এখন পর্যন্ত তিনটি বই প্রকাশ হয়েছে। 'মিস্টার বিন’স ডায়েরি' প্রকাশিত হয় ১৯৯২ সালে আর 'মিস্টার বিন’স পকেট ডায়েরি' প্রকাশিত হয় ১৯৯৪ সালে। এই দুটো বই বিষয়বস্তুর দিক থেকে প্রায় কাছাকাছি, আকার আর প্রকৃতিতে কিছুটা পার্থক্য রয়েছে। দুটো বই-ই আসলে বিনের লেখার ডায়েরি, তাঁর হাতের লেখায় ছাপা এই ডায়েরিতে মিস্টার কোথায় থাকে, তার বাড়িওয়ালি, বান্ধবী সম্পর্কে কিছু তথ্য রয়েছে।
রোয়ান অ্যাটকিনসন তাঁর কাজের জন্য পেয়েছেন নানা পুরস্কার। ব্রিটিশ কমেডির সবচেয়ে মজার ৫০ জনের একজন হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে বৃটিশ অবজার্ভার। এ ছাড়া ২০০৫ সালে ভোটের মাধ্যমে তাকে সর্বকালের সেরা ৫০ জন কমেডিয়ানের একজন নির্বাচিত করা হয়। -
0 comments:
Post a Comment