Sporty Magazine official website |

১০ ট্রাক অস্ত্র মামলার রায় ঘোষণায় বাধা কাটল

Sunday, January 26, 2014

Share this history on :
চাঞ্চল্যকর ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলায় তিন আসামির আদালত পরিবর্তন ও এক সাক্ষীকে জেরার বিষয়ে করা আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। ফলে ৩০ জানুয়ারি ধার্য তারিখে এই মামলার রায় ঘোষণায় আইনগত কোনো বাধা নেই।
আজ সোমবার বিচারপতি নাঈমা হায়দার ও বিচারপতি জাফর আহমেদের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
আবেদনকারীরা হলেন এনএসআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক মো. আবদুর রহিম, সাবেক উপপরিচালক লিয়াকত হোসেন ও সাবেক মাঠ কর্মকর্তা আকবর হোসেন খান।
৩০ জানুয়ারি ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য রয়েছে। ১৩ জানুয়ারি বিচারিক আদালত চট্টগ্রাম বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-১-এ এ-সংক্রান্ত দুটি মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়। ওই দিনই বিচারিক আদালত ৩০ জানুয়ারি মামলা দুটির রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন।
মামলার বাদী ও প্রথম তদন্ত কর্মকর্তা আহাদুর রহমানকে আবার জেরা এবং আদালত পরিবর্তনের বিষয়ে নির্দেশনা চেয়ে চলতি মাসে হাইকোর্টে আবেদন করা হয়। ২৩ জানুয়ারি আবেদনের শুনানি নিয়ে সোমবার আদেশের দিন ধার্য করেন হাইকোর্ট। আজ আদেশে ওই আবেদন খারিজ করেন আদালত।
পরে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল খোন্দকার দিলীরুজ্জামান প্রথম আলোকে বলেন, তিন আসামির করা চারটি আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন আদালত। ফলে ৩০ জানুয়ারি ধার্য তারিখে রায় ঘোষণায় আইনগত কোনো বাধা নেই।
আবেদনকারী সাবেক মাঠ কর্মকর্তা আকবর হোসেন খানের আইনজীবী শাহ মঞ্জুরুল হক প্রথম আলোকে বলেন, মক্কেলের সঙ্গে আলোচনা করে এই খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করার সম্ভাবনা রয়েছে।
২০০৪ সালের ১ এপ্রিল রাতে চট্টগ্রাম ইউরিয়া সার কারখানার (সিইউএফএল) জেটিতে খালাসের সময় ১০ ট্রাক অস্ত্র ধরা পড়ে। এ ঘটনায় কর্ণফুলী থানার তত্কালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আহাদুর রহমান বাদী হয়ে দুটি মামলা (অস্ত্র ও চোরাচালান) করেন। দুই মাস পর মামলা দুটির অভিযোগপত্র দেয় সিআইডি। তাতে স্থানীয় চোরা কারবারি হাফিজুর রহমানকে প্রধান আসামি করে ৪৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়। বাকিদের প্রায় সবাই স্থানীয় পরিবহন মালিক ও শ্রমিক।
২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে আদালতের নির্দেশে মামলা দুটির অধিকতর তদন্ত শুরু হয়। নতুন ১১ জনকে আসামি করে ২০১১ সালের ২৬ জুন সিআইডি উভয় মামলার সম্পূরক অভিযোগপত্র দেয়। তাঁরা হলেন জামায়াতে ইসলামীর আমির মতিউর রহমান নিজামী, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুত্ফুজ্জামান বাবর, প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সাবেক পরিচালক রেজ্জাকুল হায়দার, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) সাবেক মহাপরিচালক আবদুর রহিম, সাবেক পরিচালক শাহাবুদ্দিন আহমদ, সাবেক উপপরিচালক লিয়াকত হোসেন, সাবেক মাঠ কর্মকর্তা আকবর হোসেন খান, সিইউএফএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মহসিন উদ্দিন তালুকদার ও মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) এনামুল হক, সাবেক শিল্পসচিব নুরুল আমিন ও ভারতীয় বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন উলফার সামরিক শাখার প্রধান পরেশ বড়ুয়া। শেষ দুজন পলাতক ও বাকিরা কারাগারে আছেন।
Thank you for visited me, Have a question ? Contact on : youremail@gmail.com.
Please leave your comment below. Thank you and hope you enjoyed...

0 comments:

Post a Comment