লক্ষ্মীপুরে নিখোঁজের ১৩ দিন পর দুলালের বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার
লক্ষ্মীপুর
আঞ্চলিক অফিস : লক্ষ্মীপুরে পারিবারিক কলহের জের ধরে নিখোঁজ হওয়ার ১৩ দিন
পর শুক্রবার দুপুরে মোঃ দুলাল হোসেন নামের এক ব্যাক্তির লাশ তার শশুর
বাড়ীর পুকুর থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে সদর উপজেলার দিঘলী
ইউনিয়নের সানকিভাঙ্গা গ্রামের সওদাগর বাড়ীতে (নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রী পারুল
বেগমের বাবার বাড়ী)। এ হত্যাকান্ডে জড়িত থাকার সন্দেহে নিহতের স্ত্রী
পারুল বেগমের বসত ঘর ও রান্না ঘরে অগ্নিসংযোগ করে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। একই
সাথে পারুল বেগমকে আটক করে পুলিশ। নিহত দুলাল পূর্ব সৈয়দপুর গ্রামের মৃত
কোরবান আলীর ছেলে বলে জানাযায়।পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, পূর্ব সৈয়দপুর
গ্রামের মৃত কোরবান আলীর ছেলে মো: দুলাল সিএনজি অটোরিক্সা চালক ৫ সন্তানের
জনক। ১ম স্ত্রীর অসুস্থতার কারনে তিনি সানকিভাঙ্গা গ্রামের সওদাগরবাড়ীর
পারুল বেগমকে ৩ মাস পূর্বে বিয়ে করেন। বিবাহের পর থেকে পারিবারিক কলহ চলে
আসছিলো তাদের। এরই জের ধরে গত রবিবার (২৯ ডিসেম্বর) ১৩ দিন থেকে সে নিখোঁজ
হয়। এ নিয়ে দুই স্ত্রী ও পরিবার বহু খোঁজাখুঁজির পর তাকে না পেয়ে সদর
থানায় আলাদাভাবে সাধারন ডায়েরী (জিডি) করেন। অবশেষে শুক্রবার ভোরে পারুল
বেগমের বসত ঘর সংলগ্ন পুকুরে তার এক প্রতিবেশী বস্তাবন্দী লাশ দেখে চিৎকার
দেয়। এসময় এলাকাবাসী লাশটিকে দুলালের লাশ সনাক্ত করে পুলিশে খবর দেয়।
পুলিশ আসার আগেই স্বামী হত্যার অভিযোগে বিক্ষুব্ধ জনতা পারুলের বসত ও
রান্নাঘরে আগুন লাগিয়ে পুড়িয়ে দেয়। এসময় পারুল বেগম পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা
করলে এলাকাবাসী তাকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে।পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না
তদন্তের জন্য লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে।ওই বাড়ীর লোকজন
জানান, এ ঘটনার আগে পারুল তার পূর্বের স্বামী আবদুল মতিনকে খুনের দায়ে
কারাভোগ করেছিল।দুলালের ১ম স্ত্রী মাজিয়া বেগম তার স্বামী হত্যার ঘটনায়
পারুলকে দায়ী করে এর বিচার দাবী করেন ।লক্ষ্মীপুর থানার ওসি তদন্ত লোকমান
হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।
0 comments:
Post a Comment