
১০ ট্রাক অস্ত্র মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সাবেক শিল্পমন্ত্রী ও জামায়াতে ইসলামীর নেতা মতিউর রহমান নিজামী, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুত্ফুজ্জামান বাবরসহ ১২ আসামিকে ফাঁসির সেলে (কনডেম সেল) রাখা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে রায় ঘোষণার পর তাঁদের কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে নিজামী, বাবরসহ ডিভিশনপ্রাপ্ত আসামিদের ডিভিশন বাতিল করে ফাঁসির সেলে রাখা হয়।
চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের জ্যেষ্ঠ তত্ত্বাবধায়ক মো. ছগির মিয়া আজ সন্ধ্যায় ‘প্রথম আলো’কে বলেন, কারাগারে আসা ১২ আসামির মধ্যে নিজামী, বাবরসহ নয়জন আসামি ডিভিশনপ্রাপ্ত। তাঁদের সাজা হওয়ায় ডিভিশন বাতিল হয়ে যায়। তাই আসামিদের ফাঁসির সেলে রাখা হয়েছে।
আজ ১০ ট্রাক অস্ত্র আটক ও চোরাচালান মামলায় ১৪ আসামিকে ফাঁসি ও যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন আদালত। নিজামী-বাবর ছাড়াও দণ্ডাদেশপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা হলেন প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সাবেক পরিচালক মেজর জেনারেল (অব.) রেজ্জাকুল হায়দার চৌধুরী, এনএসআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মো. আবদুর রহীম, পরিচালক উইং কমান্ডার (অব.) সাহাব উদ্দিন আহাম্মদ, উপপরিচালক মেজর (অব.) লিয়াকত হোসেন, এনএসআইয়ের মাঠ কর্মকর্তা আকবর হোসেন খান, সিইউএফএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মহসিন উদ্দিন তালুকদার, মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) কে এম এনামুল হক, ভারতীয় বিছিন্নতাবাদী সংগঠন উলফার সামরিক কমান্ডার পরেশ বড়ুয়া, শিল্প মন্ত্রণালয়ের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সচিব নুরুল আমিন, অস্ত্র বহনকারী ট্রলারের মালিক হাজি সোবহান, চোরাকারবারি হাফিজুর রহমান ও অস্ত্র খালাসের শ্রমিক সরবরাহকারী দীন মোহাম্মদ। সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের মধ্যে পরেশ বড়ুয়া ও নুরুল আমিন পলাতক।
এই মামলায় দীর্ঘদিন ধরে আটক রয়েছেন বাবর, নিজামীসহ ১১ আসামি। জামিনে থাকা মামলার আসামি হাজি আবদুস সোবহান আজ রায় ঘোষণার দিন আদালতে হাজির হন। পরে আবদুস সোবহানসহ ১২ আসামিকে আদালত থেকে কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। কারাগারের ৩২ নম্বর ফাঁসির সেলে রাখা হয় বাবর, নিজামীসহ ১২ আসামিকে
0 comments:
Post a Comment