
বহু প্রতীক্ষিত পদ্মা সেতুসহ ছয়টি প্রকল্পকে প্রথম পর্যায়ের প্রকল্প হিসেবে নির্ধারণ করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে তা বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে সরকার।
পদ্মা সেতু ছাড়া অপর পাঁচ প্রকল্প হচ্ছে—রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, রামপাল কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র, ঢাকা গণপরিবহন উন্নয়ন প্রকল্প (মেট্রো রেল), কক্সবাজারে সোনাদিয়া গভীর সমুদ্রবন্দর ও তরল প্রাকৃতিক গ্যাস টার্মিনাল নির্মাণ প্রকল্প।
আজ বুধবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রকল্প মনিটরিং কমিটির উদ্বোধনী সভায় এসব প্রকল্প চিহ্নিত করা হয়। কমিটির সভাপতি শেখ হাসিনা বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন। খবর বাসসের।
বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব বিজন লাল দেব সাংবাদিকদের এ কথা জানান। তিনি বলেন, গুরুত্বপূর্ণ এই বৈঠকে ছয় প্রকল্পের অগ্রগতি ও ভবিষ্যৎ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন। পদ্মা সেতুর ক্ষেত্রে নদীভাঙ্গন রোধে নদী খনন ও উদ্ধার করা জমিতে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড শুরুর ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন তিনি।
রূপপুর পারমাণবিক ও রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র সম্পর্কে শেখ হাসিনা বলেন, সরকার বহুমুখী উৎস থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের ওপর জোর দিয়েছে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ভারত, ভুটান, নেপাল ও মিয়ানমারের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে বিদ্যুৎ উৎপাদনের বিষয় প্রক্রিয়াধীন।
অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান, পরিবেশ ও বনমন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু, ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান, পরিকল্পনামন্ত্রী এ এইচ এম মোস্তফা কামাল, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মসিউর রহমান, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী ইয়াফেস ওসমান ও বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বৈঠকে যোগ দেন।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব এম মোশাররফ হোসেন ভূইঞা, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. ওয়াহিদ-উজ-জামান, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব মো. আবুল কালাম আজাদ ও সংশ্লিষ্ট সচিবেরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
0 comments:
Post a Comment