প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধি সৌধে রক্ষিত পরিদর্শন বইয়ে লিখেছেন, বঙ্গবন্ধুর আত্মত্যাগ বৃথা যেতে দেবেন না। তিনি তৃতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণের পর আজ বুধবার দুপুর ১টা ৫৫ মিনিটে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতার সমাধি সৌধে শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ শেষে সেখানে রক্ষিত পরিদর্শন বইয়ে এ কথা লেখেন।
প্রধানমন্ত্রী আরো লেখেন, 'জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, যার নেতৃত্বে আমরা জাতি হিসেবে মর্যাদা পেয়েছি, স্বাধীনতা অর্জন করেছি। তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানাই। মহান মুক্তিযুদ্ধের সকল শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাই। জাতীয় চার নেতার প্রতি শ্রদ্ধা জানাই। আত্মত্যাগকারী মা-বোনদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাই। পিতা তোমার কাছে আমার প্রতিজ্ঞা তোমার ত্যাগ বৃথা যেতে দেব না। তোমার দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফুটিয়ে সোনার বাংলা গড়ে তুলবই ইনশাল্লাহ।'
এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হেলিকপ্টারযোগে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় আসেন। তিনি ১টা ৫০ মিনিটে ছোট বোন শেখ রেহানাকে সঙ্গে নিয়ে জাতির পিতার সামধি সৌধে পৌঁছান। প্রথমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সমাধি সৌধের বেদিতে পুস্পমাল্য অর্পণ করেন। এ সময় জাতীয় ও প্রধানমন্ত্রীর পতাকা উত্তোলন করা হয়। বেজে ওঠে সশন্ত্র বাহিনীর বিউগল। তিন বাহিনীর একটি দল প্রধানমন্ত্রীকে গার্ড অব অনার ও সশস্ত্র সালাম জানায়।
পরে প্রধানমন্ত্রী দেশের শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনজাত করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর পাশে তাঁর ছোট বোন শেখ রেহানা দাঁড়িয়ে ছিলেন। এরপর আওয়ামী লীগ প্রধান হিসেবে শেখ হাসিনা মন্ত্রিপরিষদ ও কেন্দ্রীয় নেতাদের নিয়ে আরো দুটি মাল্যদান করেন।
এ সময় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত, কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহম্মেদ, শিল্পমন্ত্রী আমীর হোসেন আমু, স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহম্মদ নাসিম, বিমান ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন, ডাক ও টেলি যোগাযোগমন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী, নৌমন্ত্রী শাহজাহান খান, পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মোস্তফা কামাল, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খোন্দকার মোশারফ হোসেন, শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক, মৎস্য ও প্রাণী সম্পদমন্ত্রী মো. ছায়েদুল হক, রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক, সমাজ কল্যাণমন্ত্রী সৈয়দ মহসিন আলী, প্রাথমিক ও গণ শিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান, নারী ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকী, স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালেক, অর্থ প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান, স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান কামাল, ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী ইয়াফেজ ওসমান, ক্রীড়া উপমন্ত্রী আরিফ খান জয় প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী পরিষদ ও কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের মাল্যদান শেষে কেন্দ্রীয় আ. লীগ, জেলা ও উপজেলা আ. লীগ এবং অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীরা মাল্যদান করেন।
মাল্যদান শেষে প্রধানমন্ত্রী তাঁর বোন শেখ রেহানা ও মন্ত্রিসভার সদস্যদের নিয়ে সমাধি সৌধ চত্বরে বঙ্গবন্ধু ভবনে কিছু সময় অপেক্ষা করেন। সেখান থেকে বিকেল ৩টায় তিনি বের হয়ে টুঙ্গিপাড়া উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্স উদ্বোধন করেন। প্রধানমন্ত্রী বিকেল সাড়ে ৩টায় ঢাকার উদ্দেশে হেলিকপ্টারে করে টুঙ্গিপাড়া ত্যাগ করেন। প্রধানমন্ত্রীর আগমণকে কেন্দ্র করে টুঙ্গিপাড়ায় ব্যাপক নিরাপত্তা গ্রহণ করা হয়।
উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রীর সকাল ১১টায় এসব কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার কথা থাকলেও ঘন কুয়াশার কারণে তিনি দুপুর ১টা ৫০ মিনিটে টুঙ্গিপাড়া পৌঁছান।
প্রধানমন্ত্রী আরো লেখেন, 'জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, যার নেতৃত্বে আমরা জাতি হিসেবে মর্যাদা পেয়েছি, স্বাধীনতা অর্জন করেছি। তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানাই। মহান মুক্তিযুদ্ধের সকল শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাই। জাতীয় চার নেতার প্রতি শ্রদ্ধা জানাই। আত্মত্যাগকারী মা-বোনদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাই। পিতা তোমার কাছে আমার প্রতিজ্ঞা তোমার ত্যাগ বৃথা যেতে দেব না। তোমার দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফুটিয়ে সোনার বাংলা গড়ে তুলবই ইনশাল্লাহ।'
এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হেলিকপ্টারযোগে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় আসেন। তিনি ১টা ৫০ মিনিটে ছোট বোন শেখ রেহানাকে সঙ্গে নিয়ে জাতির পিতার সামধি সৌধে পৌঁছান। প্রথমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সমাধি সৌধের বেদিতে পুস্পমাল্য অর্পণ করেন। এ সময় জাতীয় ও প্রধানমন্ত্রীর পতাকা উত্তোলন করা হয়। বেজে ওঠে সশন্ত্র বাহিনীর বিউগল। তিন বাহিনীর একটি দল প্রধানমন্ত্রীকে গার্ড অব অনার ও সশস্ত্র সালাম জানায়।
পরে প্রধানমন্ত্রী দেশের শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনজাত করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর পাশে তাঁর ছোট বোন শেখ রেহানা দাঁড়িয়ে ছিলেন। এরপর আওয়ামী লীগ প্রধান হিসেবে শেখ হাসিনা মন্ত্রিপরিষদ ও কেন্দ্রীয় নেতাদের নিয়ে আরো দুটি মাল্যদান করেন।
এ সময় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত, কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহম্মেদ, শিল্পমন্ত্রী আমীর হোসেন আমু, স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহম্মদ নাসিম, বিমান ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন, ডাক ও টেলি যোগাযোগমন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী, নৌমন্ত্রী শাহজাহান খান, পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মোস্তফা কামাল, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খোন্দকার মোশারফ হোসেন, শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক, মৎস্য ও প্রাণী সম্পদমন্ত্রী মো. ছায়েদুল হক, রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক, সমাজ কল্যাণমন্ত্রী সৈয়দ মহসিন আলী, প্রাথমিক ও গণ শিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান, নারী ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকী, স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালেক, অর্থ প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান, স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান কামাল, ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী ইয়াফেজ ওসমান, ক্রীড়া উপমন্ত্রী আরিফ খান জয় প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী পরিষদ ও কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের মাল্যদান শেষে কেন্দ্রীয় আ. লীগ, জেলা ও উপজেলা আ. লীগ এবং অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীরা মাল্যদান করেন।
মাল্যদান শেষে প্রধানমন্ত্রী তাঁর বোন শেখ রেহানা ও মন্ত্রিসভার সদস্যদের নিয়ে সমাধি সৌধ চত্বরে বঙ্গবন্ধু ভবনে কিছু সময় অপেক্ষা করেন। সেখান থেকে বিকেল ৩টায় তিনি বের হয়ে টুঙ্গিপাড়া উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্স উদ্বোধন করেন। প্রধানমন্ত্রী বিকেল সাড়ে ৩টায় ঢাকার উদ্দেশে হেলিকপ্টারে করে টুঙ্গিপাড়া ত্যাগ করেন। প্রধানমন্ত্রীর আগমণকে কেন্দ্র করে টুঙ্গিপাড়ায় ব্যাপক নিরাপত্তা গ্রহণ করা হয়।
উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রীর সকাল ১১টায় এসব কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার কথা থাকলেও ঘন কুয়াশার কারণে তিনি দুপুর ১টা ৫০ মিনিটে টুঙ্গিপাড়া পৌঁছান।
.jpg)
0 comments:
Post a Comment